শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৫, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সান্তাহারে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তারুণ্যের উৎসব অনুষ্ঠিত আদমদীঘিতে মাদক সেবনের অপরাধে ছয় মাদকসেবীর জেল-জরিমানা দুপচাঁচিয়ায় পারভিন সমাজ কল্যাণ সংস্থা সদস্যদের কোটি টাকা নিয়ে উধাও ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রকাশ হচ্ছে না গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র আগামী মাসের মধ্যে পাঠ্যপুস্তক সবাই হাতে পাবে : প্রেস সচিব ফুলবাড়ী দাদুল কমিউনিটি ক্লিনিক ৩ মাস যাবৎ বন্ধ, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী ভারতে মন্দিরের টিকিট সংগ্রহ করতে গিয়ে পদদলিত হয়ে ৬ জনের মৃত্যু মেক্সিকোতে ভাঙা হলো নেতানিয়াহুর মোমের মূর্তি চীনে এমপক্স ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন শনাক্ত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি: ট্রাম্প

সংলাপে বসার সুযোগ আর নেই : নাহিদ

একাত্তরের দেশ ডেস্ক
  • আপডেট টাইম শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০২৪
  • ৩০
সংলাপে বসার সুযোগ আর নেই : নাহিদ
সংলাপে বসার সুযোগ আর নেই : নাহিদ

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে গড়ে ওঠা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

শনিবার (৩ আগস্ট) বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তাদের এ অবস্থান স্পষ্ট করেন সংগঠনটির সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ।

একই সঙ্গে রোববার (৪ আগস্ট) ডাকা অসহযোগ আন্দোলন সফল করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাধারণ জনতাকেও রাস্তায় নামার অনুরোধ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকারের কাছে বিচার চাওয়া বা সংলাপে বসার সুযোগ আর নেই। ক্ষমা চাওয়ার সময়ও পার হয়ে গেছে। যখন সময় ছিল, তখন সরকার ব্লক রেইড দিয়ে শিক্ষার্থীদের গ্রেফতার করেছে, নির্যাতন করেছে। আখতার হোসেন, আরিফ সোহেলসহ রাজবন্দিদের কারাগারে রেখে আমরা কোনো ধরনের সমঝোতায় যাবো না।

বিবৃতিতে নাহিদ বলেন, ১৯ জুলাই আমরা কারফিউ ভঙ্গ করে শাটডাউন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছিলাম। আমাদের সে বক্তব্য কোনো মিডিয়ায় প্রচার করতে দেওয়া হয়নি। সে রাতে আমাকে তুলে নিয়ে নির্মম অত্যাচার করা হয়। শাটডাউন অব্যাহত রাখার ঘোষণার জন্য এবং আন্দোলন প্রত্যাহার ও সরকারের সঙ্গে আলোচনায় বসার জন্য জবরদস্তি করা হয়।

এই সমন্বয়ক বলেন, ‘ছাত্রজনতা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছিল। সরকার দমনপীড়ন করে সেটিকে সংঘাত ও সহিংসতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। কারফিউ ও ইন্টারনেট বন্ধ করে শত শত মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এবার এরকম পরিস্থিতি হলে কারও জন্যই পরিণতি ভালো হবে না।’

অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ হাসান বলেন, পরবর্তীতে ডিবি অফিস থেকেও আমাদের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। আমাদের অনশন ও রাজপথে আন্দোলনের কারণে সে পরিকল্পনা সফল হয়নি। আমরা এখনো শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত রাখতে চাই। আমরা কোনো সহিংসতা, প্রতিহিংসা ও প্রাণনাশ চাই না। নিরাপত্তা বাহিনীকেও এর জন্য সহযোগিতা করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী সন্ত্রাসীদের রাজপথে দেখা গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এর দায়ভার নিতে হবে। তবে রক্ত ঝরলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। আমরা ন্যায়বিচার ও জীবনের নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। কোনো ধরনের দমন-পীড়ন, প্রোপাগান্ডা ও ষড়যন্ত্র করে এ আন্দোলন থামানো যাবে না। জরুরি অবস্থা বা কারফিউ ছাত্র-নাগরিক মেনে নেবে না। শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি চাইলে গুলি ও হামলা করার নির্দেশ বন্ধ করতে হবে। অসহযোগ আন্দোলনের নির্দেশনা অনুযায়ী চলতে হবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশে নাহিদ বলেন, নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি আহ্বান থাকবে, খুনি সরকারকে সমর্থন না দিয়ে ছাত্র-নাগরিকের পাশে থাকুন। সরকার জনগণের বিপক্ষে দাঁড়ালে সেই সরকারের হুকুম শুনতে আপনারা আর বাধ্য নন। ছাত্রদের সঙ্গে মিছিলে যোগ দিন। আমরা পুলিশ নয় হুকুমের আসামিকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে চাই। নিরাপত্তা বাহিনীকে মিছিলে যোগদানের আহ্বান থাকবে। সবাই শান্তিপূর্ণভাবে আজকের বিক্ষোভ ও আগামীকাল থেকে অসহযোগ কর্মসূচি সফল করুন।

 

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরো খবর..
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com